পুরো ব্যবসা এক সফটওয়্যারে — ছয়টা আলাদা টুল নয়
AIOSOL Business OS একটি মডিউলার ইআরপি। প্রতিটি মডিউল একই ডেটাবেজ, একই লগইন আর একই পারমিশন ব্যবহার করে — তাই একটা বিক্রি হলেই স্টক আর খাতা আপনাআপনি বদলায়, কাউকে দ্বিতীয়বার টাইপ করতে হয় না।
আপনি যা পাবেন
উদাহরণস্বরূপ — কোনো গ্রাহকের আসল তথ্য নয়
ত্রিশের বেশি সংযুক্ত মডিউল — সাথে কাস্টম মডিউলও
ফিন্যান্স, সেলস, পারচেজ, ইনভেন্টরি, সিআরএম, এইচআর, ম্যানুফ্যাকচারিং, প্রজেক্টস আর অ্যানালিটিক্স — অ্যাপ্লিকেশনের ত্রিশের বেশি মডিউলের মধ্যে এগুলো দিয়েই বেশিরভাগ ব্যবসা শুরু করে। যেটা যখন দরকার তখন চালু, একসাথে সব নয় — আর কোনোটাই না মিললে যেটা মেলে সেই মডিউলটা আমরা বানিয়ে দিই।
পুরোটাই বাংলা ও ইংরেজিতে
উপরে অনুবাদ বসানো নয়। আপনার হিসাব টিম বাংলায় কাজ করবে, আর একই রেকর্ড থেকেই ইংরেজিতে রিপোর্ট বেরোবে।
মাল্টি-কোম্পানি, মাল্টি-ব্রাঞ্চ
প্রতিটি কোম্পানি বা শাখার আলাদা হিসাব, আর দরকারে পুরো গ্রুপের সমন্বিত চিত্র — সাথে রোল-ভিত্তিক অ্যাক্সেস আর সম্পূর্ণ অডিট ট্রেইল।
সেটআপ আর ডেটা স্থানান্তর
চার্ট অব অ্যাকাউন্টস, ওপেনিং ব্যালেন্স, পণ্য আর কাস্টমার লেজার — এখন যা ব্যবহার করছেন সেখান থেকে এনে, চালু করার আগে আপনার পুরনো খাতার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়।
উদাহরণস্বরূপ — কোনো গ্রাহকের আসল তথ্য নয়
এতে আপনার কী ফেরত আসে
এখন যেভাবে চলে
একই বিক্রি লেখা হয় বিক্রয় খাতায়, স্টক খাতায় আর হিসাবের খাতায় — তিনজনে, তিন দিনে; আর মাস শেষে তিনটা প্রায় কখনোই মেলে না।
AIOSOL-এর পরে
একবার ঢোকে। ওই এক এন্ট্রি থেকেই স্টক, কাস্টমার লেজার আর খাতা — সব বদলায়; তাই মাস বন্ধ হয় যা ঘটেছে তার উপর, মেলানোর কসরতের উপর নয়।
কম লোক
আলাদা আলাদা সিস্টেমে চালানোর খরচ
বারবার টাইপ করা, হিসাব মেলানো, প্রতিদিন সকালে যে রিপোর্ট কেউ আবার বানান। আপনি যা লিখবেন তা আপনার ব্রাউজারের বাইরে যাবে না।
মাসে যত ঘণ্টা যায় হাতে করে এক সিস্টেম থেকে আরেকটায় তথ্য নিতে
উপরের ঘরগুলো পূরণ করুন, মোট এখানে দেখা যাবে।
উপরের প্রতিটি সংখ্যা আপনার নিজের। এর একটাও আমাদের দেওয়া নয়, আর আপনি যা লিখেছেন তার কিছুই আপনার ব্রাউজারের বাইরে যায়নি।
লিখে রাখার মতো। আমরা একসাথে কাজ করলে ঠিক এরকম একটা সংখ্যাই — আপনার নিজের হিসাব থেকে নেওয়া — গ্যারান্টির মাপকাঠি হয়।
এর পেছনে আসল কাজ
অ্যাপ্লিকেশনটি সত্যিকারের কাজে চলছে, কোনো প্রোটোটাইপ নয়। কোন কোম্পানি কোন তথ্য দেখতে পাবে সেটা আটকানো আছে ডেটাবেজেই, অ্যাপের কোডে নয় — একটি কোম্পানি কেবল নিজের সারিগুলোই পড়তে পারে, আর এটা চলছে ২০২৬-এর জুন থেকে। এতে চালু আছে হিসাব, বিক্রয়, ক্রয়, স্টক, সিআরএম, এইচআর ও বেতন, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন আর মুসক দাখিল। একই ভিতের উপর দ্বিতীয় একটি সিস্টেম চালায় একটি ডিলার ও পরিবেশক নেটওয়ার্ক, যেখানে খাতা মেলে কারণ না মিললে ডেটাবেজের ট্রিগারই সেটা ঢুকতে দেয় না।
যেসব প্রশ্ন প্রায়ই আসে
যাবে। মডিউল আলাদা আলাদা চালু করা যায়। বেশিরভাগ ব্যবসা ফিন্যান্স আর ইনভেন্টরি দিয়ে শুরু করে, পরে দরকারমতো সেলস, এইচআর বা ম্যানুফ্যাকচারিং যোগ করে — ডেটা আগের মতোই থাকে, নতুন করে কিছু ঢোকাতে হয় না।
হ্যাঁ। মাল্টি কোম্পানি আর মাল্টি ব্রাঞ্চ প্ল্যাটফর্মেরই অংশ, সাথে মাল্টি কারেন্সি, মাল্টি ট্যাক্স আর মাল্টি টাইম জোন। প্রতিটি শাখার নিজের হিসাব থাকে, আর গ্রুপ পর্যায়ে সমন্বিত রিপোর্ট নেওয়া যায়।
অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার যা ঘটে গেছে তার হিসাব রাখে। বিজনেস ওএস সেই কাজগুলোই চালায় যা থেকে হিসাবটা তৈরি হয় — বিক্রয় অর্ডার, ক্রয়, স্টক নড়াচড়া, বেতন — আর হিসাব আপনা থেকেই বসে যায়।
যেসব খাতে এটি বেশি নেওয়া হয়
সম্পর্কিত সেবা
কোনটা আপনার দরকার, নিশ্চিত নন?
কী সমস্যায় পড়েছেন সেটা বলুন — কোন সেবাটা লাগবে, নাকি আদৌ লাগবে না, সেটা আমরা সরাসরি বলে দেব।