মূল কনটেন্টে যান
উচ্চ ভলিউমের সেলস অর্ডার। কাস্টমার-ভিত্তিক লেজার। ওয়্যারহাউজ-ভিত্তিক স্টক — সব একটাই ডেটাবেজে।

পাইকারি বিক্রির অর্ডার, ক্রেতার বকেয়া আর ডিপোর স্টক

সপ্তাহে শত শত অর্ডার, প্রতিটায় আলাদা ক্রেতার আলাদা রেট; কার কাছে কত টাকা পাওনা তা কাস্টমার ধরে ধরে বোঝার উপায় নেই; স্টক পড়ে আছে কয়েকটা ডিপোতে, একসাথে দেখার কোনো ব্যবস্থা নেই; আর নিয়মিত ক্রেতাদের ফলো-আপ চলে কারো মনে রাখার ওপর, কোনো রেকর্ডে নয় — AIOSOL বিজনেস অপারেটিং সিস্টেমের সেলস, ফিন্যান্স, ইনভেন্টরি আর CRM মডিউল একটাই শেয়ার্ড ডেটাবেজে চলে, তাই একটা অর্ডার, সেটা যে লেজারে ওঠে আর যে স্টক নড়ে — সবই আপনা থেকেই মিলে থাকে।

সাধারণত যেখানে আটকায়, আর যে মডিউল সেটা সামলায়

  • Sales

    অর্ডারের সংখ্যা অনেক, আর প্রতিটায় কাস্টমারভেদে আলাদা দামের শর্ত

    কোটেশন, সেলস অর্ডার আর ইনভয়েসিং — সব একটাই সেলস মডিউলে, একটাই ডেটাবেজে। ক্রেতার কোটেশনে যে রেট আর শর্ত ঠিক হলো, সেটাই ওই ক্রেতার সেলস অর্ডার আর ইনভয়েস পর্যন্ত চলে যায় — তাই প্রতিটা রিপিট অর্ডারে একই হিসাব আবার হাতে লিখতে (বা ভুল লিখতে) হয় না।

  • SalesFinance

    কে কত টাকা বাকি রেখেছে, আর কতদিন ধরে — পরিষ্কার নয়

    সেলস মডিউলের কাস্টমার লেজারে প্রতিটি ক্রেতার চলমান ব্যালেন্স থাকে, আর ফিন্যান্সের ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট চলে ঠিক সেই একই ডেটাবেজ থেকে — তাই একজন কাস্টমারের বকেয়া আর পুরো কোম্পানির পাওনার হিসাব আসে একই রেকর্ড থেকে, মাস শেষে দুই সেট ফাইল মিলিয়ে নয়।

  • InventoryMulti Branch

    স্টক কয়েকটা ডিপোতে ছড়ানো, একসাথে দেখার কোনো উপায় নেই

    ইনভেন্টরির ওয়্যারহাউজ আর স্টক ট্রান্সফার রাখে কোন জায়গায় কী আছে আর কোথা থেকে কোথায় সরেছে তার হিসাব, আর মাল্টি-ব্রাঞ্চ — AIOSOL-এর গ্লোবাল-রেডি সেটের অংশ — সব শাখাকে একটাই একাউন্টে রাখে। ফলে প্রতিটি প্রোডাক্টের মোট স্টক এক জায়গাতেই দেখা যায়, প্রতিটা ডিপোতে ফোন করতে হয় না।

  • CRM

    নিয়মিত ক্রেতা আর ফলো-আপ থেকে যাচ্ছে কারো মুখস্থ মনে

    CRM-এ কাস্টমার, অ্যাক্টিভিটি আর ফলো-আপ থাকে ক্রেতার নামে লেখা রেকর্ড হিসেবে — কারো মুখস্থ মনে নয়। প্রতিটা কল, ভিজিট আর পরের ধাপ লেখা থাকে, তাই যে লোকটা কাজটা দেখছিল সে ছুটিতে গেলেও অর্ডারটা থেমে যায় না।

আসল প্রোডাক্ট

প্রথম দিনেই আপনার টিম যে KPI কার্ডগুলো দেখবে

উপরে বলা মডিউলগুলো থেকেই নেওয়া, আর AIOSOL ড্যাশবোর্ড যেভাবে দেখায় ঠিক সেভাবেই।

চলমান বিক্রয় অর্ডার
128
প্রক্রিয়াধীন
বকেয়া ইনভয়েস
৳18,60,000
42টি ইনভয়েস অপরিশোধিত
স্বল্প স্টক আইটেম
26
রিঅর্ডার দরকার

এখানে দেখানো সংখ্যা নমুনা তথ্য — কোনো প্রকৃত গ্রাহকের সংখ্যা নয়।

যেসব প্রশ্ন প্রায়ই আসে

হ্যাঁ। কোটেশন, সেলস অর্ডার আর ইনভয়েসিং — তিনটিই AIOSOL-এর সেলস মডিউলের অংশ এবং একটাই ডেটাবেজ শেয়ার করে, তাই কাস্টমারের কোটেশনে লেখা দাম আর শর্ত সেখান থেকেই সেলস অর্ডার ও ইনভয়েসে চলে যায় — প্রতিটা রিপিট অর্ডারে নতুন করে বসাতে হয় না।

কাস্টমার লেজার, যেটা সেলস মডিউলের অংশ। এখানে প্রতিটি ক্রেতার চলমান ব্যালেন্স থাকে, আর ফিন্যান্সের ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট একই ডেটাবেজ থেকে পড়ে বলে একজন কাস্টমারের বকেয়া আর পুরো কোম্পানির পাওনার হিসাব হাতে মিলিয়ে দেখার দরকার পড়ে না।

হ্যাঁ। AIOSOL-এর ইনভেন্টরি মডিউল প্রোডাক্ট, ওয়্যারহাউজ, ব্যাচ, সিরিয়াল নম্বর, স্টক ট্রান্সফার আর স্টক অ্যাডজাস্টমেন্ট একটাই শেয়ার্ড ডেটাবেজে রাখে, তাই প্রতিটি ওয়্যারহাউজের স্টক একসাথে দেখা যায় — আলাদা আলাদা করে গোনার দরকার হয় না।

হ্যাঁ। AIOSOL একটি একাউন্ট থেকেই মাল্টি-কোম্পানি ও মাল্টি-ব্রাঞ্চ অপারেশন সাপোর্ট করে, সাথে মাল্টি-কারেন্সি, মাল্টি-ট্যাক্স আর মাল্টি-টাইমজোন — পুরো প্ল্যাটফর্ম জুড়ে ব্যবহৃত একই গ্লোবাল-রেডি ফিচার সেট।

হ্যাঁ। AIOSOL-এর CRM মডিউলে থাকে লিড, অপরচুনিটি, কাস্টমার, অ্যাক্টিভিটি আর ফলো-আপ — তাই প্রতিটা কল, ভিজিট আর পরের ধাপ কাস্টমারের নামে লেখা থাকে, কোনো একজন সেলস লোকের মুখস্থ মনে নয়।

হ্যাঁ। কোটেশন, সেলস অর্ডার আর ইনভয়েসিং — তিনটাই সেলস মডিউলের অংশ আর একই ডেটাবেজ ব্যবহার করে, তাই কোনো ক্রেতার কোটেশনে লেখা দাম ও শর্ত সেই অর্ডার আর তার ইনভয়েসে নিজে থেকেই চলে আসে — প্রতিবার নতুন করে টাইপ করতে হয় না।