মূল কনটেন্টে যান
মাল্টি-কারেন্সি ক্রয়। সাপ্লায়ার লেজার। ব্যাচ ও সিরিয়াল ট্রেসেবিলিটি — সব একটাই ডেটাবেজে।

আমদানি পণ্যের প্রকৃত খরচ, সাপ্লায়ার বকেয়া আর স্টকের হিসাব

আপনি কেনেন ডলার, ইউরো বা ইউয়ানে, শুল্ক আর ক্লিয়ারিং খরচ মেটান টাকায়, তারপরও বলতে হয় সব কনভার্ট হওয়ার পর আমদানি করা একটা আইটেমের আসল খরচ কত দাঁড়াল। বিদেশি সাপ্লায়ারকে দেওয়া অর্ডার থাকে এক জায়গায়, আমদানি করা স্টক আরেক জায়গায়, আর বিদেশি ক্রেতার কাছে কত পাওনা তা তৃতীয় কোথাও — AIOSOL বিজনেস অপারেটিং সিস্টেমের পারচেজ, ইনভেন্টরি, সেলস আর ফিন্যান্স মডিউল একটাই শেয়ার্ড ডেটাবেজে চলে, প্ল্যাটফর্ম পর্যায়েই মাল্টি-কারেন্সি ও মাল্টি-ট্যাক্স সহ — তাই ক্রয়, বকেয়া, স্টক আর পাওনা সবকিছুর রিপোর্ট আসে একই হিসাবের খাতা থেকে।

সাধারণত যেখানে আটকায়, আর যে মডিউল সেটা সামলায়

  • FinanceMulti CurrencyMulti Tax

    একাধিক মুদ্রায় কেনাকাটা, আর সব কনভার্ট হওয়ার পর আসল খরচ কত তা অস্পষ্ট

    মাল্টি-কারেন্সি আর মাল্টি-ট্যাক্স প্ল্যাটফর্ম পর্যায়ের সক্ষমতা, কোনো মডিউলভিত্তিক অ্যাড-অন নয় — বিদেশি সাপ্লায়ারের বিপরীতে তোলা কোনো ক্রয় নিজের মুদ্রা ও ট্যাক্স হিসাবেই থাকে, আর ফিন্যান্সের অ্যাকাউন্টিং সেটি বাকি সবকিছুর মতো একই খাতায় পোস্ট করে। ওই ক্রয়ের বিপরীতে ঢোকানো শুল্ক, ফ্রেইট আর ক্লিয়ারিং খরচও একই খাতায় বসে।

  • PurchaseFinance

    বিদেশি সাপ্লায়ারের অর্ডার আর পেমেন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করা কঠিন

    RFQ, পারচেজ অর্ডার, সাপ্লায়ার লেজার আর ভেন্ডর ম্যানেজমেন্ট — সবই পারচেজ মডিউলে, ফিন্যান্সের সাথে একই ডেটাবেজে। তাই আপনি যে দর চেয়েছিলেন, তার বিপরীতে দেওয়া অর্ডার, আর ওই সাপ্লায়ারের কাছে এখনও যা বকেয়া — এই তিনটি একটাই রেকর্ডের তিন রকম দৃশ্য, আলাদা তিনটি ফাইল নয়।

  • Inventory

    আমদানি করা স্টক ওয়্যারহাউজে পৌঁছানোর পর ব্যাচ ও লট ধরে খুঁজে পাওয়া দরকার

    প্রোডাক্ট, ওয়্যারহাউজ, ব্যাচ, সিরিয়াল নম্বর, স্টক ট্রান্সফার আর স্টক অ্যাডজাস্টমেন্ট — সবই ইনভেন্টরি মডিউলে, তাই আমদানি করা কোনো লট কোন ওয়্যারহাউজে আছে এবং কোন কোন ক্রয় ও স্টক মুভমেন্টের ভেতর দিয়ে গেছে তা খুঁজে বের করা যায়। পণ্য আসা ও সরার সাথে সাথে প্রতিটি ওয়্যারহাউজের হাতে থাকা পরিমাণ হালনাগাদ থাকে।

  • FinanceMulti CompanyMulti Currency

    একাধিক প্রতিষ্ঠান ও মুদ্রা মিলিয়ে গ্রুপ-লেভেলের আর্থিক চিত্র নেই

    মাল্টি-কোম্পানি ও মাল্টি-কারেন্সি থাকায় আলাদা আলাদা ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান একটাই AIOSOL অ্যাকাউন্ট থেকে চালানো যায়, আর ফিন্যান্সের ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট ও ব্যাংকিং পারচেজ, ইনভেন্টরি আর সেলসের একই ডেটাবেজ থেকে তথ্য নেয় — তাই গ্রুপ-লেভেলের চিত্রটা একটা রিপোর্ট খুলে দেখার ব্যাপার, আলাদা সিস্টেম মিলিয়ে মাস শেষের কনসোলিডেশনের কাজ নয়।

AIOSOL যা করে না

AIOSOL-এ কাস্টমস ফাইলিং বা ডিক্লারেশন মডিউল নেই, লেটার অব ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট নেই, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং নেই, HS কোড ক্লাসিফিকেশন নেই, শিপিং ডকুমেন্ট হ্যান্ডলিংও নেই। AIOSOL সামলায় আমদানি-রপ্তানির বাণিজ্যিক ও আর্থিক দিকটা — একাধিক মুদ্রায় ক্রয় ও বকেয়া, আমদানি করা পণ্যের ব্যাচ ও সিরিয়াল ট্রেসেবিলিটি, একাধিক ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা, আর সমন্বিত হিসাবের খাতা। কাস্টমস আর ব্যাংকের কাগজপত্র আপনার সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ব্যাংকের কাছেই থাকে।

আসল প্রোডাক্ট

প্রথম দিনেই আপনার টিম যে KPI কার্ডগুলো দেখবে

প্রথম দিনেই আপনার ট্রেড ডেস্ক যে KPI কার্ডগুলো দেখবে — ক্রয় থেকে অপেক্ষমান ক্রয় অর্ডার, সেলস থেকে বকেয়া ইনভয়েস আর ইনভেন্টরি থেকে স্বল্প স্টক আইটেম। বকেয়া ইনভয়েস মানে সাধারণ বিক্রয় ইনভয়েসে ক্রেতার কাছে আপনার পাওনা — এলসি বা কোনো ব্যাংক ইনস্ট্রুমেন্টের হিসাব নয়।

অপেক্ষমান ক্রয় অর্ডার
9
অনুমোদনের অপেক্ষায়
বকেয়া ইনভয়েস
৳94,60,000
12টি ইনভয়েস বকেয়া
স্বল্প স্টক আইটেম
14
রিঅর্ডার দরকার

এখানে দেখানো সংখ্যা নমুনা তথ্য — কোনো প্রকৃত গ্রাহকের সংখ্যা নয়।

যেসব প্রশ্ন প্রায়ই আসে

হ্যাঁ। মাল্টি-কারেন্সি আর মাল্টি-ট্যাক্স AIOSOL-এর গ্লোবাল-রেডি ফিচার সেটের অংশ, সাথে আছে মাল্টি-কোম্পানি, মাল্টি-ব্রাঞ্চ আর মাল্টি-টাইমজোন — তাই বিদেশি সাপ্লায়ারের কাছ থেকে করা ক্রয় আর বিদেশি ক্রেতার নামে কাটা ইনভয়েস, দুটোই নিজের মুদ্রা ও ট্যাক্স হিসাবে থাকতে পারে, আর ফিন্যান্স সব মিলিয়ে একটাই হিসাবের খাতা রাখে।

না। AIOSOL-এ কাস্টমস ফাইলিং বা ডিক্লারেশন মডিউল নেই, লেটার অব ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট নেই, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং নেই, HS কোড ক্লাসিফিকেশন নেই, শিপিং ডকুমেন্ট হ্যান্ডলিংও নেই। এটি আমদানি-রপ্তানির বাণিজ্যিক ও আর্থিক দিকটা সামলায় — পারচেজ, ইনভেন্টরি, সেলস আর ফিন্যান্স একটাই শেয়ার্ড ডেটাবেজে, সাথে মাল্টি-কারেন্সি ও মাল্টি-ট্যাক্স — তাই কাস্টমস আর ব্যাংকের কাগজপত্র আপনার সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ব্যাংকের কাছেই থাকে।

হ্যাঁ। পারচেজ মডিউলের সাপ্লায়ার লেজার প্রতিটি সাপ্লায়ারের বকেয়া ব্যালেন্স রাখে RFQ, পারচেজ অর্ডার আর ভেন্ডর ম্যানেজমেন্টের পাশাপাশি, ফিন্যান্সের সাথে একই ডেটাবেজে — তাই সাপ্লায়ার ব্যালেন্স আলাদা করে মেলাতে হয় না।

হ্যাঁ। ব্যাচ ও সিরিয়াল নম্বর ট্র্যাকিং ইনভেন্টরি মডিউলের অংশ, সাথে প্রোডাক্ট, ওয়্যারহাউজ, স্টক ট্রান্সফার আর স্টক অ্যাডজাস্টমেন্ট — তাই আমদানি করা কোনো লট কোন ওয়্যারহাউজে আছে এবং কোন কোন ক্রয় ও স্টক মুভমেন্টের ভেতর দিয়ে গেছে, তা খুঁজে বের করা যায়।

শুধু আপনার ঢোকানো রেকর্ড থেকেই — AIOSOL-এ আলাদা কোনো ল্যান্ডেড কস্ট ক্যালকুলেটর নেই। কোনো ক্রয়ের বিপরীতে তোলা শুল্ক, ফ্রেইট, ক্লিয়ারিং ও অন্যান্য খরচ ফিন্যান্সের অ্যাকাউন্টিংয়ে পোস্ট হয়, সংশ্লিষ্ট পারচেজ অর্ডার ও স্টকের সাথে একই ডেটাবেজে — তাই আমদানি করা কোনো আইটেমের খরচের হিসাব ততটাই পূর্ণ, যতটা তার পেছনের ক্রয় ও হিসাবরক্ষণের রেকর্ড।

হ্যাঁ। মাল্টি-কোম্পানি ও মাল্টি-কারেন্সি থাকায় আলাদা আলাদা ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান একটাই AIOSOL অ্যাকাউন্ট থেকে চালানো যায়, আর ফিন্যান্সের ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট ও ব্যাংকিং পারচেজ, ইনভেন্টরি আর সেলসের একই ডেটাবেজ থেকে তথ্য নেয় — তাই গ্রুপ-লেভেলের চিত্রটা একটা রিপোর্ট, আলাদা সিস্টেম মিলিয়ে মাস শেষের কনসোলিডেশনের কাজ নয়। এগুলো প্রতিটি কোম্পানির নিজস্ব হিসাবের উপর রিপোর্টিং ভিউ, স্ট্যাচুটরি কনসোলিডেশন নয়।