মেশিন আজই জানে। অফিস জানে পরদিন।
এদেশের বেশিরভাগ কারখানায় ভালো যন্ত্রপাতি আছে, অথচ চালানো হয় রেজিস্টার আর ফোনকলে। কাউন্টার থাকে মেশিনে, কারণটা থাকে সুপারভাইজারের মাথায়, আর দুটো মেলে পরদিন এক্সেলে গিয়ে। আপনার নিজের যন্ত্রপাতিকেই আমরা এমন সফটওয়্যারের সাথে যুক্ত করি যা উৎপাদন, বন্ধ থাকা আর রিজেক্ট তখনই লিখে রাখে — ফলে খারাপ শিফটটা শিফট চলতে চলতেই সামলানো যায়।
আপনি যা পাবেন
| লাইন | উৎপাদন / লক্ষ্য |
|---|---|
| লাইন ১ | 1,840 / 2,000চলছে |
| লাইন ২ডাই বদল · ১৮ মিনিট | 1,190 / 2,000বন্ধ |
| লাইন ৩ | 2,050 / 2,000চলছে |
আপনার নিজের মেশিন থেকেই পড়া
উদাহরণস্বরূপ — কোনো গ্রাহকের আসল তথ্য নয়
আপনার নিজের যন্ত্র থেকেই তথ্য
কাউন্টার, চালু-বন্ধের অবস্থা আর অ্যালার্ম পড়া হয় পিএলসি, ড্রাইভ, এনার্জি মিটার আর স্কাডা থেকে — যে প্রোটোকলে তারা এমনিতেই কথা বলে: মডবাস, ওপিসি ইউএ, এমকিউটিটি। কোনো মেশিন কিছুই না দিলে সেখানে সেন্সর বসিয়ে নেওয়া হয়। এর জন্য কিছু বদলাতে হয় না।
ডাউনটাইমের সাথে কারণ
মেশিন থেমেছে সেটা সিস্টেম নিজেই ধরে, কিন্তু কারণটা অপারেটর বেছে দেন আপনারই বানানো তালিকা থেকে — ডাই বদল, মাল নেই, বিদ্যুৎ, ব্রেকডাউন। কারণ ছাড়া বন্ধ থাকার সংখ্যা দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বদলায় না; কারণসহ হলে বোঝা যায় কোন মেশিনটা আগে সারাতে হবে।
পরিকল্পনার বিপরীতে উৎপাদন
প্রতি লাইনে ও প্রতি শিফটে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে কত উৎপাদন হলো, আর ভালো মালের থেকে রিজেক্ট আলাদা করে দেখানো। সচলতা, গতি আর গুণমান — তিনটি আলাদা সংখ্যা হিসেবেই দেখাই, কারণ একটা মিলিয়ে-দেওয়া স্কোর ঢেকে দেয় কোনটা আসলে নড়ল।
অফিস যে সংখ্যাগুলো ব্যবহার করে, সেই একই
উৎপাদন সরাসরি ওয়ার্ক অর্ডার, কাঁচামাল আর কস্টিং-এর সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবসার সিস্টেমে ওঠে। ফলে ফ্লোরে যা তৈরি হলো আর হিসাবে যা লেখা হলো — দুটো আলাদা সংখ্যা থাকে না, যা নিয়ে মাস শেষে তর্ক করতে হয়।
| লাইন | উৎপাদন / লক্ষ্য |
|---|---|
| লাইন ১ | 1,840 / 2,000চলছে |
| লাইন ২ডাই বদল · ১৮ মিনিট | 1,190 / 2,000বন্ধ |
| লাইন ৩ | 2,050 / 2,000চলছে |
আপনার নিজের মেশিন থেকেই পড়া
উদাহরণস্বরূপ — কোনো গ্রাহকের আসল তথ্য নয়
এতে আপনার কী ফেরত আসে
এখন যেভাবে চলে
একটা লাইন বন্ধ হয়, অফিস জানে শিফট শেষে। এ মাসের ক্ষতিটা ব্রেকডাউনে গেল, নাকি মাল দেরিতে আসায়, নাকি চেঞ্জওভারে বেশি সময় লাগায় — কেউ বলতে পারে না। তাই পরের মাসেও একই টাকা বেরিয়ে যায়।
AIOSOL-এর পরে
প্রতিটি বন্ধ থাকার সাথে থাকে তার কারণ আর কত মিনিট। মাসের সবচেয়ে বড় তিনটি ক্ষতি একটা তালিকা হয়ে সামনে থাকে, আর পরের মাসে বোঝা যায় সবচেয়ে বড়টা সারিয়ে আসলেই কাজ হলো কি না।
টাকা
লাইন বন্ধ থাকা আপনার কত খরচ করছে
শুধু সেই বন্ধ থাকাগুলো যেগুলোর কারণ পরে কেউ বলতে পারে না — ওগুলো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তই নেওয়া যায় না। আপনি যা লিখবেন তা আপনার ব্রাউজারের বাইরে যাবে না।
মাসে যত ঘণ্টা উৎপাদন নষ্ট হয় এমন বন্ধ থাকায়, যার কারণ কোথাও লেখা নেই
উপরের ঘরগুলো পূরণ করুন, মোট এখানে দেখা যাবে।
উপরের প্রতিটি সংখ্যা আপনার নিজের। এর একটাও আমাদের দেওয়া নয়, আর আপনি যা লিখেছেন তার কিছুই আপনার ব্রাউজারের বাইরে যায়নি।
লিখে রাখার মতো। আমরা একসাথে কাজ করলে ঠিক এরকম একটা সংখ্যাই — আপনার নিজের হিসাব থেকে নেওয়া — গ্যারান্টির মাপকাঠি হয়।
এর পেছনে আসল কাজ
এই যন্ত্রপাতির উপরের সফটওয়্যারটা আমাদের আগেই করা কাজ: যন্ত্রপাতির ব্যবসার জন্য উৎপাদন ও স্টকের সিস্টেম, শস্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রপাতির একটি কারিগরি ক্যাটালগ, আর নির্দিষ্ট সময় অন্তর হালনাগাদ হওয়া ড্যাশবোর্ড — যেসব মালিক সবসময় কারখানায় থাকতে পারেন না তাঁদের জন্য। পিএলসি, এইচএমআই, ড্রাইভ আর সার্ভো এই দলের কাছে রোজকার শব্দ, আপনার প্রকল্পে এসে শেখার মতো নতুন কিছু নয়।
যন্ত্রপাতি আমরা বিক্রি বা ইনস্টল করি না
যন্ত্রপাতি সরবরাহ নয়, প্যানেল বানানো নয়, ফিল্ড ওয়্যারিং নয়, আর আপনার পিএলসির ভেতরের সেফটি বা কন্ট্রোল লজিক নতুন করে লেখাও নয় — ওটা লাইসেন্সধারী কাজ, ওটা আপনার অটোমেশন ঠিকাদারের হাতেই থাকবে। আমাদের কাজ মেশিন যা এমনিতেই তৈরি করছে তা পড়া আর তার উপরের সফটওয়্যারটা বানানো। কোনো মেশিন সত্যিই কিছুই না দিলে সেটা আগেই বলে দেব, আর সেন্সর বসাতে কত লাগবে তাও জানিয়ে দেব — কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে।
যেসব প্রশ্ন প্রায়ই আসে
অনেক সময়ই হয়। বয়স যত না গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি জরুরি মেশিনটা বাইরে কিছু দেয় কি না — পুরনো অনেক মেশিনেই পিএলসি, কাউন্টার আউটপুট বা কন্ট্যাক্টর থাকে, যা কন্ট্রোল লজিকে হাত না দিয়েই পড়া যায়। যেটা সত্যিই কিছু দেয় না, সেখানে আউটপুটে একটা ছোট সেন্সরই সাধারণত যথেষ্ট। আমরা মেশিন ধরে ধরে দেখি আর কোনটায় বাড়তি কিছু লাগবে তা আগেই জানাই — টাকা খরচের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে।
তথ্য পড়ার জন্য লাইন বন্ধ করতে হয় না; এটা চলতি কন্ট্রোল সিস্টেমের পাশে বসে কাজ করে, ভেতরে নয়। যেখানে সেন্সর লাগাতে হয়, সেই মেশিনটার জন্য অল্প সময় দরকার হয় — সাধারণত পরিকল্পিত চেঞ্জওভার বা মেইনটেন্যান্সের দিনে, আমাদের সুবিধা নয়, আপনার সূচি অনুযায়ী।
না। AIOSOL যন্ত্রের উপরের সফটওয়্যারটা বানায়, যন্ত্রের ব্যবসা করে না। কোনো যন্ত্রাংশ লাগলে সেটার কাজটা ঠিক কী হতে হবে আমরা লিখে দেব, আর আপনি সেটা নিজের সরবরাহকারীর কাছ থেকেই কিনবেন — আপনি এখন যাঁর কাছ থেকে নেন তাঁর কাছ থেকেও। দুটো আলাদা রাখি বলেই আমাদের পরামর্শ কখনো কোনো পণ্য বেচার কথা হয়ে দাঁড়ায় না।
তথ্য সংগ্রহ চলে স্থানীয় নেটওয়ার্কে, আর ইন্টারনেট গেলেও রেকর্ড করা চলতে থাকে; সংযোগ ফিরলে সব মিলিয়ে নেয়। ইন্টারনেট দরকার হয় যাঁরা কারখানার বাইরে থেকে সংখ্যাগুলো দেখতে চান তাঁদের জন্য — কারখানার নিজের হিসাব রাখার জন্য নয়।
যেসব খাতে এটি বেশি নেওয়া হয়
সম্পর্কিত সেবা
কোনটা আপনার দরকার, নিশ্চিত নন?
কী সমস্যায় পড়েছেন সেটা বলুন — কোন সেবাটা লাগবে, নাকি আদৌ লাগবে না, সেটা আমরা সরাসরি বলে দেব।